AD

Home
About SAARC Tour
Send Your Tour Experience
Feedback
SAARC Tour Booking
 
Bangladesh info
Famous city of Bangladesh
Bangladesh Tours Company
Bangladesh Hotel
Bangladesh Map
Bangladesh Fairs and Festivals
Bangladesh Tour Booking
Bangladesh History
Bangladesh Religion
Culture of Bangladesh
Bangladesh Music
Bangladesh Food
Shopping in Bangladesh
Bangladesh Transportation
Bangladesh Visa
 

Bangladesh Heritage Area

Ahsan Manjil ***
Lalbag Fort***
National Museum ****
Bangabandhu Memorial
Mukti Juddha Museum
Science Museum
Shadhinota Stambha
National Poet's Graveyard
Suhrawardy Uddyan
National Leader Mausoleum
Banga-Bhaban
Parliament House
Curzon Hall
Arts & Crafts Institute
Old High Court
1857 Memorial
National Zoo
Baldha Garden
Star Mosque
Baitul Mukarram Mosque
Hindu Temples
Churches
Mosque Of Baba Adam
Sonargaon
National Martyrs Memorial
Jamuna Bridge
Tungipara
The Shrine of Hazrat ShahJalal
Sri Chaitannya Dev Temple
Shahi Eidgah
Shat Gambuj Mosque
 

Banglaesh Hillside Area

Srimongol
Madhabkunda Waterfall
Lawacherra Rain Forest
BARD Lalmai & Moinamoti
Rangamati
Khagrachari
Bandarban
Fays Lake
 
Bangladesh Seaside Area
Kuakata
Patenga & Fouzdarhat
Cox's Bazar
Himchori & Inani Beach
Moheshkhali Island
Sonadia Island
St. Martins Island
Nijhum Island
 
Bangladesh Wild side Area
Tamabil
Sundarban
Bhawal National Park
Modhupur Picnic Spot
Gajni Parjatan Center
Jaflong
 
 
 
 

নিঝুম দ্বীপ

এখানে সমুদ্রের বুকে হেলে পড়ে অস্তগামী সূর্য, হাজার পাখির কলতান নিস্তব্দতার ঘুম ভাঙ্গায়, মায়াবী হরিনের পদচারনায় মুখরিত হয় জনপদ, সারি সারি কেওড়া গাছের কোল ঘেষে বয়ে চলে নদী, চুপিসারে কাছে ডাকে, মায়াবী ইন্দ্রজানে বেধে ফেলে মনুষ্যপ্রজাতীকে। সমুদ্রকোল হতে সরু খাল সবুজের বুক চিরে চলে গেছে গহীন বনে। সে যে সবুজ আর নোনা জলের কি এক প্রেমকাব্য না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। যেন সবুজ গালিচা বিছিয়ে দেয়া হয়েছে সমুদ্রের তলানী পর্যন্ত। স্বচ্ছ পানির নিচে সবুজ ঘাষ আর মাছেরা খেলা করে আপন খেয়ালে। দেখলেই মন চাইবে ঝাপিয়ে পড়ে পরাণ জুড়াই। এ এমনই এক মায়াবী প্রকৃতি যা শহুরে কর্মচঞ্চল মানুষক নতুন এক জীবন দেয়। নিঝুম দ্বীপ- সত্যিই নিঝুম। একবারই অলাদা। সব কিছুর বাহিরে। এখানে নেই পর্যটনের চাকচিক্য, রং চংগা বাতির ঝলক কিংবা যান্ত্রিক কোন বাহনের বিকট শব্দ। নিঝুম- সত্যিই নিঝুম, নিশ্চুপ। এ যেন প্রকৃতির একটি আলাদা সত্ত্বা। যা আর কোথাও নেই। বঙ্গোপসাগরের কোলে উত্তর ও পশ্চিমে মেঘনার শাখা নদী, আর দক্ষিণ এবং পূর্বে সৈকত ও সমুদ্র বালুচরবেষ্টিত ছোট্ট সবুজ ভূখণ্ড নিঝুম দ্বীপ—এখন পর্যটকদের জন্য এক আকর্ষণীয় স্থান। নোয়াখালীর দক্ষিণে মূল হাতিয়া পেরিয়ে এ দ্বীপে পৌঁছাতে পাড়ি দিতে হয় প্রমত্তা মেঘনা। শীতে নদী শান্ত থাকে বলে প্রকৃতিকে ভিন্ন স্বাদে উপভোগ করতে ভ্রমণপিয়াসীরা ছুটে যায় নিঝুম দ্বীপে। চিত্রা হরিনের চঞ্চল ছুটে চলা আর পাখির কলতান উপভোগ করার জন্য যেন প্রকৃতি আমাদেরকে বিলিয়ে দিয়েছ এই সম্পদ। ৬০ হাজারের বেশি হরিণের ছুটোছুটিতে এ দ্বীপের অরণ্য থাকে সর্বদাই মুখরিত। যারা বনবাদাড় মাড়িয়ে পায়ে হেঁটে সৈকত আর সমুদ্র বালুচর দেখতে আগ্রহী তাদের জন্য আরও আকর্ষণীয় এখন নিঝুম দ্বীপ। শীতের সময় শরীরকে একবার চাঙ্গা করে নিতে হলে এখন ঘুরে আসতেই হয় বঙ্গোপসাগরের চোখসদৃশ এ দ্বীপে। লম্বা পথের ভ্রমন শেষে আপনি যখন নিঝুম দ্বীপে পৌছাবেন এখানকার কচি ডাব আপনার কান্তি দুর করবে নিশ্চয়ই। কক্সবাজার বা কুয়াকাটার মত এখানে ডাবের বিকিকিনি হয় না। যাদের ডাব গাছ আছে তাদেরকে অনুরোধ করলে হয়তো অর্থের বিনিময়ে পেয়ে যাবেন এই প্রাকৃতিক পানীয়। এখানে একটি স্থানীয় বাজার আছে। নামাবাজার। আপনি ইচ্ছা করতে এখান হতে চা, নাস্তা, দুপুর আর রাতের খাবার পেতে পারেন।

ইতিহাস

নিঝুম দ্বীপ বাংলাদশেরে দক্ষিণে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজলোর র্অন্তগতছোট একটি নিঝুম দ্বীপ। সবাই এটিকে দ্বীপ হিসেবে উল্লেখ করলওে এটি আসলে সাগরে মোহনার অবস্থতি একটি চর। নিঝুম দ্বীপরে র্পূব নাম ছলিো চর-ওসমান। ওসমান নামরে একজন বাথানিয়া তার মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়নে। তখন তার নামইে এই দ্বীপটরি নামকরণ করা হয়। পরে হিিতয়ার সাংসদ আমরিুল ইসলাম কালাম এই নাম বদলে নিঝুম দ্বীপ নামকরণ করনে। মূলত বল্লারচর, চর ওসমান, কামলার চর এবং চুর মুরি এই চারটি চর মিলিয়ে নিঝুম দ্বীপ। প্রায় ১৪,০০০ একররে দ্বীপটি ১৯৫০ খ্রস্টিাব্দরে দিকে জেগে ওঠে । ১৯৭০ খ্রস্টিাব্দরে আগ র্পযন্ত এখানে কোনো জনবসতি ছিলো না। বাংলাদশেরে বনবভিাগ ৭০-এর দশকে বন বিভাগের র্কাযক্রম শুরু করে। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে চার জোড়া হরিণ ছাড়ে। নিঝুম দ্বীপ এখন হরণিরে অভয়ারণ্য। ১৯৯৬ খ্রস্টিাব্দরে হরণিশুমারি অনুযায়ী হরণিরে সংখ্যা ২২,০০০। নোনা পানিতে বেস্টিত নিঝুম দ্বীপ কওেড়া গাছরে অভয়ারণ্য। ম্যানগ্রোভ বনরে মধ্যে সুন্দরবনরে পরে নিঝুম দ্বীপকে বাংলাদশেরে দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন বলে অনেকে দাবী করনে।

পার্শ্ববর্তী দৃশ্যাবলী

কেওড়াবন ও ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট

নিঝুমদ্বীপে যে কয়টি উপভোগ্য বিষয় আছে তার ভীতর মূল আর্কষণ হলো হরিণ র্দশন। এখানে একটি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট রয়েছে। আর বনবভিাগ সেটিকে ঘোষনা করেছেন হরিণের অভয়ারণ্য হিসেবে। হাজার হাজার হরিণের পদচারনায় মুখরতি থাকে এ বন। হরিণ দখেতে যাবার জন্য এখানে ট্রলার ভাড়া পাওয়া যায়। আপনি একটি ট্রলার ভাড়া করে চলে যেতে পারনে সেখানে। ট্রলার যখন সাগররে মোহনা হতে সরু খালে ঢোকে সে এক অভাবনীয় দৃশ্য। খালরে স্বচ্ছ পানির নিচে সবুজ ঘাসরে মাঠ চলে গেছে তলানী র্পযন্ত যেদিকে চোখ রাখবেন সবুজ মাঠ আর কওেড়া গাছরে সারি। গাছের ফাকে কিংবা মাঠইে দখো যাবে হরনিরে দল ছুটোছুটি করছে। কেউ কেউ জল খেতে হয়তো চলে এসেছে নদীর কিনারে। মায়াবী চত্রিা হরনিরে মায়াবী টানে আপনি আরো উদগ্রীব হয়ে উঠবনে ভীতরে যাবার জন্য। বনরে ভীতরে ঢুকে আপনি সর্ম্পূণ সুন্দরবনরে স্বাদ পেয়ে যাবেন, শুধু বাঘ ছাড়া :)। নিঃশব্দে কিছুক্ষণ বনের গহীনে এগুলইে আপনার চোখে পড়বে হরনিরে পাল। সবল সতজে হরনিরে ছুটে চলা আপনাকে বিহোমিত করে তুলবে। ভোর বেলা রওয়ানা হলে হরিণ দেখে আপনি দুপুররে আগইে রির্সোটে ফিরে আসতে পারবনে। এখানে সাগর বা নদীর পানিতে গোসলের কাজটি সেরে নিতে পারে।অসুবধিা একটাই সেটা হল এখানে কোন বালুকাময় সৈকত নেই। র্কদমাক্ত সকৈত। তবুও ভন্নি একটি স্বাদ পাবনে। বকিলেরে সূযাস্ত আর একটি লোভনীয় দৃশ্য। র্কদমাক্ত সকৈতে দাড়িয়ে আপনি উপভোগ করতে পারেন এই দৃশ্য। মোটে ও খারাপ লাগবে না। আপনি নিজেকে ভাগ্যবান দাবী করতে পারনে যদি রাতটি হয় পূর্ণিমা রাত। নিঃশব্দ দ্বীপের খোলা মাঠে শুয়ে আকাশরে তারা দখোর সৌভাগ্যে কজনারই বা হয়?

যেভাবে যেতে হবে

লঞ্চঃ

ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন পানামা ও টিপু ৫ নামের লঞ্চ হাতিয়ার উদ্দেশে ছাড়ে সন্ধ্যা ৬টায়। ভাড়া ডেক ২০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ৭০০ টাকা, ডাবল কেবিন ১২০০ টাকা এবং ভিআইপি ১৬০০ টাকা। সময়মতো লঞ্চ ছাড়লে এবং আবহাওয়া ঠিক থাকলে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চটি পরদিন সকাল ১০টার মধ্যে হাতিয়া লঞ্চঘাটে পৌছবে।

পানামা লঞ্চের যোগাযোগ : ০১৭৪০৯৫১৭২০। এ ছাড়া বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সদরঘাট থেকেও সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে চট্টগ্রাম থেকে একটি জাহাজ হাতিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

হাতিয়া তমরুদ্দি লঞ্চঘাট থেকে নানাভাবে নিঝুম দ্বীপে যাওয়া যায়।
নিঝুম দ্বীপে ঘাট দুইটা: নামার ঘাট এবং বন্দর টিলা ঘাট। নামার ঘাটে রিসোর্ট হওয়াতে যেতে হবে মূলত নামার ঘাটে। সুতরাং, তমরদ্দি লঞ্চঘাট থেকে নিঝুম দ্বীপ নামার বাজারে ট্রলারে সময় লাগবে প্রায় ২:৩০ ঘণ্টা এবং বন্দর টিলা ঘাট ২ ঘন্টা, যা নির্ভর করবে জোয়ার ভাটার ওপর।

ট্রলার রিজার্ভ করলে নিম্মের প্যাকেজ ব্যবহার করতে পারেন ( তমরুদ্দি লঞ্চঘাট থেকে নামার বাজার আপডাউন ):
১০-১৫ জন ৬০০০টাকা
২০-৩০ জন ৮০০০টাকা
৩০-৪০ জন ১০০০০টাকা
ছাউনির ক্ষেত্রে আগেই বলতে হবে।

ঢাকায় যোগাযোগ করুনঃ
অবকাশ পর্যটন লি., আলহাজ সামসুদ্দিন ম্যানসন (নবম তলা), ১৭ নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা। ফোন : ৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১, ৯৩৫৯২৩০, ০১৫৫২৩৭২২৬৯।

নিঝুম রিসোর্টে যোগাযোগ করুনঃ
মোঃ মনির হোসেন, ইনচার্জ, নিঝুম রিসোর্ট, হাতিয়া, নোয়াখালী। ফোনঃ ০১৭২৪-১৪৫৮৬৪।

এছাড়া সড়কপথে তমরদ্দী লঞ্চঘাট থেকে নিঝুম দ্বীপ যেতে চাইলে, তমরদ্দী বাজার থেকে টেম্পুতে জাল্যাখালী (জালিয়াখালী) ঘাট অথবা বাসে করে জাহাজমারা ঘাটে এবং রিক্সাতে জাল্যাখালী (জালিয়াখালী) ঘাট যেতে হবে। তারপর, নদী পারাপারের নৌকাতে বন্দরটিলা ঘাটে পার হয়ে রিক্সা অথবা টেম্পুতে নামার বাজার যেতে হবে।

ট্রেনেঃ
প্রথমে কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নোয়াখালী রেলওয়ে ষ্টেশন যেতে হবে। এরপরে বাসে নোয়াখালী চ্যায়ারঘাট যেতে হবে, তারপরে সী ট্রাকে হাতিয়া নলছাড়া যেতে হবে। হাতিয়া নলছাড়া থেকে ট্যাক্সিতে জাল্যাখালী (জালিয়াখালী) ঘাট যেতে হবে। তারপর, নদী পারাপারের নৌকাতে বন্দরটিলা ঘাট পার হয়ে রিক্সা অথবা টেম্পুতে নামার বাজার যেতে হবে।
নিঝুম দ্বীপে সড়কপথে গেলে প্রথমদিন নোয়াখালী পৌঁছে রাত কাটালে ভালো। নোয়াখালী শহরে নানা গেস্ট হাউস এবং হোটেল ছাড়াও রয়েছে ‘নাইস’-এর মতো অভিজাত মোটেলও। এখান থেকে সড়কপথে হাতিয়া চেয়ারম্যানঘাট হয়ে সি-ট্রাকে হাতিয়া অথবা স্পিডবোট নিয়ে সরাসরি যাওয়া যায় নিঝুম দ্বীপ। তবে প্রকৃতির অপরূপ আর রহস্যঘেরা দ্বীপটিকে উপভোগ করতে হলে হাতিয়া হয়ে যাতায়াত করা নির্ঝঞ্ঝাট ও নিরাপদ। কেননা নোয়াখালী হয়ে হাতিয়া আসা কিছুটা বিপদজনক হতে পারে।

Our Extended Services :

Web Design & Hosting