AD

Home
About SAARC Tour
Send Your Tour Experience
Feedback
SAARC Tour Booking
 
Bangladesh info
Famous city of Bangladesh
Bangladesh Tours Company
Bangladesh Hotel
Bangladesh Map
Bangladesh Fairs and Festivals
Bangladesh Tour Booking
Bangladesh History
Bangladesh Religion
Culture of Bangladesh
Bangladesh Music
Bangladesh Food
Shopping in Bangladesh
Bangladesh Transportation
Bangladesh Visa
অল্প খরচে পাখি দেখতে চান? চলে যান বাংলাদেশের এই তিন পাখির স্বর্গে!

Almost everyone loves to watch the birds . Kiichi – Michi around the pleasant sound of birds : This is one of the brick-and- wood – ceramic trapped in a cycle of reading the minds of people . But if I do not have it , I need to see the birds, looking for the right place . Where around the green , which can be seen through the holes of varying colors , pakha – pakhalira colors.

অল্প খরচে পাখি দেখতে চান? চলে যান বাংলাদেশের এই তিন পাখির স্বর্গে!
পাখি দেখতে ভালোবাসেন প্রায় সবাই-ই। পাখিদের কিচির-মিচির শব্দ আর চারপাশে মনোরম প্রকৃতি- এই তো চায় শহরের ইট-কাঠ-সিরামিকের জালে আটকে পড়া প্রত্যেকটি মানুষের মন। কিন্তু চাইলেই তো হবেনা, পাখিদেরকে দেখতে চাইলে দরকার পড়বে সঠিক স্থানের খোঁজও। যেখানে চারপাশে কেবল সবুজ আর সবুজ, যার ফাঁক-ফোকর দিয়ে দেখা যাবে নানারকম রং, পাখ-পাখালির রং। কিন্তু কথা হচ্ছে, চারপাশের ব্যস্ততার ভেতরে এত সময় কই? আর তার সাথে আর্থিক সঙ্গতিও তো থাকতে হবে। পাখি দেখবার কথা আসতেই যাদের মাথায় এতগুলো চিন্তা খেলা করে গে,ল তাদের জন্যেই দেওয়া হল বাংলাদেশের ভেতরেই পাখিপ্রেমীদের জন্যে কিছু অন্যরকম ভুবন, পাখিদের স্বর্গের কথা। যেগুলোর দুরত্ব খুব একটা দূরেও নয়, খরচও হবে অনেকটাই কম!

১. সুন্দরবন
কেবল কি পাখি? পৃথিবীর এই বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ ফরেস্টে এলে আপনি দেখতে পাবেন আরো হাজার হাজার পশু, গাছ এবং আরো কিছু। কিন্তু সবচাইতে বেশি যেটা দেখতে পাবেন আপনি এখানে এলে সেটি হচ্ছে পাখি। লম্বা ঠ্যাংওয়ালা বক, মাছ ঠোঁটে বসে থাকা রংমাখা মাছরাঙা, ডাহুক, ময়না, দোয়েল, টিয়াসহ ২৭০ প্রজাতির পাখি দেখতে পাবেন আপনি সুন্দরবনে গেলে। সেই সাথে শীতকালে বাইরে থেকে আসা ৪৫ প্রচাতির পাখি তো রয়েছেই ( ঢাকা হলিডেস )। এদের কারো বাসা আপনি দেখতে পাবেন গাছে, কারোটা মাটিতে। তবে গাছে হোক কিংবা মাটিতে, এদের বৈচিত্র্য আপনাকে অবশ্যই মুগ্ধ করে দেবে।

২. সিলেট
পাখি দেখার জন্যে সিলেটও হতে পারে আপনার আদর্শ স্থান। এখানকার হাকালুকি হাওড়, টাঙ্গুয়ার হাওড়সহ আরো বেশকিছু জলাভূমি সবসময়ই ভর্তি থাকে নানারকমের পাখিতে। প্রায় ১০০ প্রজাতির পাখিকে আপনি দেখতে পাবেন হাকালুকি হাওড়ে এলে। তবে এতো গেল হাওড় অঞ্চলের কথা। সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কামালগঞ্জ উপজেলার লাওয়াছড়া ন্যশনাল পার্কে গেলে আপনি উপভোগ করতে পারবেন ৪৬০ প্রজাতির প্রাণী, যাদের ভেতরে রয়েছে প্রায় ২৫০ প্রজাতির পাখি ( সিলেট ট্যুর সার্কেল )।

লালাখালের নাম ‘খাল’ হলেও এটি আসলে একটি সারি নদীর অংশ। পানির নীল রঙ দেখে যে কারো মনে হতে পারে এর নাম লালাখাল কেন! নীলাখাল হতে পারত! স্থানীয়রাও নামের কারণ বলতে পারেন নি। পানির রঙ ও ব্যাখ্যাতীত কারণে অপুর্ব নীল। বাংলাদেশের নীলনদ যেন লালাখাল।

সড়কপথ, নৌপথ দুভাবেই যাওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও নৌ ভ্রমণটা বেশি উপভোগ্য বলে এটাকেই বেছে নেয় অধিকাংশ পর্যটক। নৌপথে যেতে যেতে যেদিকে চোখ যায়, মুগ্ধতায় নেমে আসে মগ্নতা! নিশ্চিতভাবে কিছুক্ষণের জন্য আপনি কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যেতে চলছেন। লালাখালে বেড়াতে পারেন নৌকা অথবা স্পীডবোটে। ভিন্ন দুই ধরণের আনন্দ পাবেন। স্বচ্ছ জলে সকালের প্রতিবিম্ব একরকম, বিকেলে আবার তার ভিন্ন রূপ। তবে যে কোন জায়গার বিকেলটা বেশি সুন্দর হয়। প্রকৃতির সম্পূর্ণ আনন্দ নিতে হলে সারা দিন নৌকায় বেরিয়ে রাতেও থাকতে পারেন নৌকায়। অথবা তাঁবু টানিয়ে ফায়ার ক্যাম্প করতে পারেন নদীর তীরে। লালাখালে থাকার তেমন সুবিধা নেই। নতুন একটি রিসোর্ট গড়ে উঠেছে মাত্র। সেখানেও রাত কাঁটাতে পারেন।

যাতায়াত
লালাখালে যেতে হলে সিলেটের শিশু পার্কের সামনে থেকে লেগুনা অথবা জাফলংয়ের বাসে চেপে সিলেট-তামাবিল সড়ক ধরে যেতে হবে সারিঘাট। সিলেট আর জাফলং মাঝামাঝি এ স্থানটির নাম সারিঘাট। আগেই বলা হয়েছে, যাওয়ার জন্য পথ দুটি সড়কপথ ও নৌপথ। সড়ক পথে যেতে চাইলে মাইক্রোবাস বা কার ভাড়া নিলে ভালো হয়। তা ছাড়া সিলেট শহর থেকে বাস, লেগুনায় সারিঘাট গিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া নিতে পারেন। নৌপথে যেতে চাইলে আগে সারিঘাট পর্যন্ত একই নিয়মে বাস, লেগুনায় গিয়ে নৌযান ভাড়া নিতে হবে। ফেরার পথে এখান থেকে বাসে কিংবা লেগুনায় আসতে পারবেন। রাত ৮টা নাগাদ যানবাহন পাওয়া যাবে। আবাসন

লালাখালে একমাত্র আবাসন ব্যবস্থা নাজিমগড় রিসোর্ট। আগে থেকে যোগাযোগ করে যাওয়া ভাল। নাহলে রিসোর্টে রুম নাও মিলতে পারে। তবে বেশিরভাগ মানুষই সিলেট শহরে থাকেন, সেখান থেকে দিনে দিনে বেড়িয়ে আসেন। সেক্ষেত্রে সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরতি পথে রওনা দেয়া ভাল। কারণ সন্ধ্যার পর নৌকা পাওয়া যায় না।

খরচ
সিলেট শহর থেকে শুধু লালাখালের জন্য মাইক্রোর ভাড়া দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যে হবে, গাড়ি নিলে ভাড়া এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে। সারা দিনের প্ল্যান হলে ভোরে সিলেট থেকে রওনা দিতে হবে। তা ছাড়া বাস কিংবা লেগুনায় ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে সারিঘাট যেতে পারবেন। সেখানে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া ৮০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা আর স্পিডবোটে যেতে চাইলে ভাড়া এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা হতে পারে। নৌযানে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ জনের বসার ব্যবস্থা আছে, ভাড়া একই।

যা অবশ্যই করবেন না- ১। দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন না, ২। সন্ধ্যার পর নির্জন এলাকায় একা একা ঘুরবেন ন্‌ ৩। শিশুরা থাকলে পানিতে না নামতে দেয়াই ভাল, ৪। সিগারেটের প্যাকেট, চিপসের প্যাকেট বা এ জাতীয় কোন বস্তু যেখানে সেখানে ফেলবেন না। পরিশেষে, সৌন্দর্য মনকে বড় করে। তাই যত পারা যায় সৌন্দর্যের কাছে যাওয়া উচিৎ আমাদের সকলের। কিন্তু সেই সৌন্দর্য রক্ষার দায়িত্বও আমাদের। পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখুন। প্রকৃতির কাছে গিয়ে হইচই, জোরে গান বাজানো থেকে বিরত থাকুন। নিজেও উপভোগ করুন, অন্যকেও উপভোগ করতে দিন অপার নিরবতা।

Our Extended Services : Web Design & Hosting